ঘটনা

আগুনে দমে যায়নি প্রথম আলো। ভস্মস্তূপের ভেতর থেকে জ্বলে ওঠে প্রত্যয়ের আলো। মাত্র ১৭ ঘণ্টা পর আবারও শুরু হয় অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ। পরের দিন ২০ ডিসেম্বর ভোরে, যেন এক নতুন সূর্যোদয়ের মতো সারা দেশের পাঠকের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় প্রথম আলোর ছাপা পত্রিকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে ওঠে উদযাপনের ছবিতে। পাঠকেরা তাঁদের প্রিয় পত্রিকাটি হাতে পাওয়ার আনন্দে জানান সংহতি। দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয় এই প্রত্যাবর্তন– ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রথম আলোর উঠে দাঁড়ানোর গল্প।

ঘটনাক্রম

প্রত্যক্ষদর্শী

সংবাদ

প্রথম আলো
জাতীয় গণমাধ্যম
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম
প্রদর্শনীর খবর

ছবি

ছবি নিছক কিছু দৃশ্য নয়। সময়ের আবর্তে হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখে ছবি। সাক্ষ্য দেয়। উন্মোচন করে সত্য। ১৮ ডিসেম্বরের গভীর রাত থেকে ১৯ ডিসেম্বরের শেষ প্রহর পরসন্ত উগ্রবাদী দুধ্কৃতকারীদের তাণ্ডব, ভাঙচুরে প্রথম আলোর ক্ষতবিক্ষত কক্ষ, আগুনে পোড়া দেয়াল, ভাঙাচোরা স্বপ্ন–সবই স্থির হয়ে আছে ফ্রেমে ফ্রেমে। এই আলোকচিত্রগুলো হয়ে আছে ধ্বংস ও নির্মমতার জ্বলন্ত দলিল।

প্রথম আলোয় এই প্রতিহিংসাপরায়ণ উগ্রবাদী হামলা, ধ্বংস ও নাশকতার ঘটনার পাশাপাশি আছে সাহস–সংহতির কথা। ১৯ ডিসেম্বর থেকে দেশি-বিদেশি সংস্থা, সংগঠন ও নাগরিক সমাজের মানুষ দৃঢ় সংহতি নিয়ে পাশে দাঁড়ান। আস্তরিকতায় উষ্ণ আর প্রতিবাদে দৃপ্ত ছিল তাঁদের উচ্চারণ পরস্পরবিরোধী এসব ঘটনাপ্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত প্রথম আলোর কর্মী এবং বছ মানুষের ক্যামেরায় আলোকচিত্রের আলো-ছায়ায় অম্লান হয়ে আছে। এই ছবিগুলো শুধু দৃশ্য নয়, সময়ের দলিল। প্রতিরোধের ভাষা। সংহতির শপথ।

ছবি গ্যালারি
Hero image slide

ভিডিও

প্রথম আলো ভিডিও
অন্যান্য মিডিয়ার ভিডিও

বিবৃতি

ক্ষয়ক্ষতি

প্রদর্শনীর আগে

প্রদর্শনীর পরে

×