ঘটনা

সেই রাতে শুধু ‘প্রথম আলো’ নয়, শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক ‘ডেইলি স্টার’ও আক্রান্ত হয়। ভাঙচুর, লুটপাট আর অগ্নিসংযোগের মধ্য দিয়ে হামলাকারীরা স্তব্ধ করতে চেয়েছিল বস্তুনিষ্ঠ সংবাদপ্রবাহ। এতে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় অনলাইন, থেমে যায় ছাপা সংস্করণ। কিন্তু সত্যের কণ্ঠ রোধ করা যায়নি। দেশের নাগরিক সমাজ দৃঢ়কণ্ঠে জানায় সংহতি। এক দিনের মধ্যেই ঘুরে দাঁড়ায় প্রথম আলো । হামলার শিকার হওয়ার ১৭ ঘণ্টা পর অনলাইন, আর এক দিন পর ২০ ডিসেম্বর আবার সারা দেশে পৌঁছে যায় ছাপা পত্রিকা। আগুন ছাই করতে পারে কাগজ, দলিল, আসবাব, কিন্তু আদর্শ ও সাহসকে পারে না পোড়াতে।

প্রত্যক্ষদর্শী

সংবাদ

প্রথম আলো
জাতীয় গণমাধ্যম
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

ছবি

ছবি নিছক কিছু দৃশ্য নয়। সময়ের আবর্তে হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখে ছবি। সাক্ষ্য দেয়। উন্মোচন করে সত্য। ১৮ ডিসেম্বরের গভীর রাত থেকে ১৯ ডিসেম্বরের শেষ প্রহর পর্যন্ত উগ্রবাদী দুষ্কৃতকারীদের তাণ্ডব, ভাঙচুরে ‘প্রথম আলো’র ক্ষতবিক্ষত কক্ষ, আগুনে পোড়া দেয়াল, ভাঙাচোরা স্বপ্ন—সবই স্থির হয়ে আছে ফ্রেমে ফ্রেমে। এই আলোকচিত্রগুলো হয়ে আছে ধ্বংস ও নির্মমতার জ্বলন্ত দলিল।

প্রথম আলোয় এই প্রতিহিংসাপরায়ণ উগ্রবাদী হামলা, ধ্বংস ও নাশকতার ঘটনার পাশাপাশি আছে সাহস সংহতির কথা। ১৯ ডিসেম্বর থেকে দেশি-বিদেশি সংস্থা, সংগঠন ও নাগরিক সমাজের মানুষ দৃঢ় সংহতি নিয়ে পাশে দাঁড়ান। আন্তরিকতায় উষ্ণ আর প্রতিবাদে দৃপ্ত ছিল তাঁদের উচ্চারণ। পরস্পরবিরোধী এসব ঘটনাপ্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ‘প্রথম আলো’র কর্মী এবং বহু মানুষের ক্যামেরায় আলোকচিত্রের আলো-ছায়ায় অম্লান হয়ে আছে। এই ছবিগুলো শুধু দৃশ্য নয়, সময়ের দলিল। প্রতিরোধের ভাষা। সংহতির শপথ।

ছবি গ্যালারি
Hero image slide

ভিডিও

প্রথম আলো ভিডিও
অন্যান্য মিডিয়ার ভিডিও

বিবৃতি

ক্ষয়ক্ষতি

প্রদর্শনীর আগে

প্রদর্শনীর পরে

×